Sunday, March 26, 2017
রাজধানী ঢাকার সকল হাসপাতালের ঠিকানা ও ফোন নম্বর।
রাজধানী ঢাকার সকল হাসপাতালের ঠিকানা ও ফোন নম্বর
ঢাকার সব হাসপাতালের ঠিকানা ও ফোন নম্বর। পোস্টটি শেয়ার করে রাখুন- দরকারে সহজেই খুঁজে পাবেন।
১। আল দীন হাসপাতাল
মগবাজার, ঢাকা, ফোন-9353391-3
২। আহমেদ মেডিকেল সেন্টার
বাড়ি# ৭১, রোড# ১৫/এ, নিউ ধানমণ্ডি সি/এ, ফোন- 8113628
৩। আইসি (Aichi) হাসপাতাল
বাড়ি নং# ১৩, ইস্কাটন এভিনিউ সেক্টর#৬, উত্তরা, ঢাকা, ফোন-8916290, 8920165
৪। আল এনায়েত আধুনিক হাসপাতাল
হাউজ# ৩৬, রোড#৩ ধানমণ্ডি, ফোন – 8631619
৫। আল হেলাল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল
১৫০, রোকেয়া স্বরণী সেনাপাড়া, মিরপুর, ফোন- 9006820, 9008181
৬। আল জাবেল-ই-নূর হার্ট লি.
হাউজ#২১, রোড# ৯/এ, ধানমণ্ডি, ফোন – 8117031
৭। আলরাজী হাসপাতাল
১২, ফার্মগেট, ঢাকা, ফোন -1215, ph- 8119229, 8121172, 9117775
৮। আল আশরাফ জেনারেল হাসপাতাল
হাউজ# ১২, রোড# ২১, সেক্টর#৪, উত্তরা ঢাকা, ফোন– 8952851-2
৯। Al-Biruni Hospital
23/1, Khilzee Road, Shyamoli, ph- 8118905, 9115953
১০। Al-Fateh Medical Sevices (Pvt) Ltd.
11, Farmgate over Bridge East Side, ph- 9120615
১১। Al-Madina General Hospital (Pvt.) Ltd.
2/A, Golden Street, Ring Road, Shamoli, Dhaka, ph 8118709
১২। Al-Manar Hospital
5/4, Block-F, Lalmatia Dhaka- 1207, ph- 9121387, 9121588
১৩। Al-Markazul Islami Hospital
21/17, Babar Road, Mohammadpur, ph- 8114980, 9129426
১৪। Al-Mohite General Hospital & Diagnostic Centre
House # 11, Road # 2, Shamoli, ph- 9113831, 9114220 Ext 238
১৫। Anjuman-E-Mofidul Islam
Dhaka. ph- 9336611
১৬। Appolo Hospital
Bashundhar r/a, Dhaka, PABX : (02) 8401661- 5, Ambulance : 01714-090000, Duty Manager :
01713-064563, Master Health Check : 8401600
১৭। Arogya Niketan Hospital Ltd.
242-243, New Circular Road, Malibagh, ph- 9333730
১৮। Aysha Memorial Specialized Hospital
74/G, Arjatpara, Mohakhali, Dhaka, ph- 9122689, 9122690
১৯। B.D.F. Hospital
5/7, Humayaun Road, Block # D, Mohammadpur, ph- 8123730, 8116637
২০। Bangabandhu Shiekh Mujib Medical University
Shabagh, Dhaka. ph- 8614001-9, 8614545
২১। Bangal Nursing Home Ltd.
Lake Circus, Kalabagan, Dhaka, ph- 9114824
২২। Bangkok Hospital Office, Bangladesh
Lion Complex (4th Floor), 73, New Airport Road, Tejgaon, ph- 9139777, 9134982, 9113864
২৩। Bangladesh Association For The Aged & Institute Of Gerecitric Medicine
Agargaon, Sher-e-Bangla Nagar, ph- 9129814
২৪। Bangladesh Heart & Chest Hospital
Road # 27 (Old), 16 (New), House # 47, Dhanmondi, ph- 9114266, 8123977
২৫। Bangladesh Medical College
House # 35, Road # 14/A, Dhanmondi, ph- 9118202, 8115843
২৬। Bangladesh Telemedicine Services Ltd.
Comfort Tower, 167/B, Green Road, Dhanmondi, ph- 8124990 Ext 660, 284
২৭। Bari-Llizarov Orthopedic (Bio) Centre
House # 77 (New) 831 (Old), Road # 9/A (New) 19 (Old), Dhanmondi R/A, ph- 9120309, 8117876
২৮। Bari-Llizarov Orthopedic Centre
House # 831, Road # 19 (Old), Dhanmondi R/A, ph- 9120309, 8117876
২৯। Bdm Hospital
5/17, Humaund Road, Block # B, Mohammedpur, ph- 8113481
৩০। Bengal Nursing Home (Pvt.) Ltd.
70/C, Clke Circus kalabagan, ph- 8116007
৩১। Birdem
Shahbagh, Dhaka, ph- 8616641-50
৩২। Bnsb Dhaka Eye Hospital
Mirpur-1, Dhaka, ph- 8014476
৩৩। Brain & Maind Hospital Ltd.
149/A, Airport Road, Farmgate, Baityl Shoraf Mosque Complex, ph- 8120710
৩৪। Brighton Hospital Ltd
163, Sonargaon Road Hitirpool, Dhaka- 1205, ph- 8626901,9671186
৩৫। Brighton Hospital Ltd.
169, Sonargaon road, Hatirpool, ph- 8626901-3
৩৬।Bumrungrad Hospital
House- 154, Road- 11, Block- E, Banani, Dhaka, ph- 8855254
৩৭। Cancer Home Cancer & Breast Clinic
GP-Cha, 149/1, Mohakhali, ph- 8815244
৩৮। Care Madical Center Ltd.
41, Chamelibagh, Shantinagar, ph- 8318827, 9351190-11/23
৩৯। Central Hospital Ltd.
House # 2, Road # 5, Green Road, Dhanmondi, ph- 9660015-19
৪০। Centre For Health And Development Medical Complex (Chd Medical Comple)
House # 16, Road # 16, Sector # 4, Uttara Model Town, ph- 8920670
৪১। Centre For The Rehabilitation Of The Paralysed (Crp)
Post CRP Chapin, Savar, ph- 7710464-5, 7711766
৪২। Chandshi Medical Centre
House # 9, Road # 27, Block # K, Banani, ph- 8821875, 9554571
৪৩। China-Bangla Hospital (Jv) Ltd.
Plot # 1, Road # 7, Sector #
Wednesday, March 8, 2017
রুপচর্চায় অসাধারণ কিছু টিপস
*তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস
একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে
মুখ ধুয়ে নিন।
*ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
*টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।
হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
*কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।
*মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।
*লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
*চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
*যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
*পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।
*ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
*মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।
*পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।
*মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।
*হাত পায়ের সৌন্দয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।
*মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।
*নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ সমস্য থাকবেনা।
*সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
*অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।
*ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
*টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।
হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
*কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।
*মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।
*লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
*চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
*যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
*পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।
*ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
*মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।
*পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।
*মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।
*হাত পায়ের সৌন্দয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।
*মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।
*নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ সমস্য থাকবেনা।
*সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
*অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।
এক গ্লাস পানির উপকারিতা
১. এক গ্লাস পানি ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথেযদি আপনি পান করেন, তবে শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সক্রিয় হয়ে যায়।
২. এক গ্লাস পানি যদি আপনি খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পান করেন তবে এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে বেশি।
৩. এক গ্লাস পানি গোসলের আগ মুহূর্তে আপনি পান করলে এটা আপনাকে উচ্চ
রক্তচাপ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।
৪. এক গ্লাস পানি ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে যদি পান করেন তবে আপনাকে হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।
রক্তচাপ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।
৪. এক গ্লাস পানি ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে যদি পান করেন তবে আপনাকে হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।
Sunday, March 5, 2017
ওয়াই-ফাই-এর কারনে আপনার কি কি ক্ষতি হচ্ছে জানেন কি আপনি????
আজকের সময় বাড়ি , অফিস,কলেজে এমন কি গাড়িতেও ওয়াইফাই থাকা আমাদের জন্য অপরিহার্য । সোজাকথা সারাদিন এ আমাদের থাকতে হচ্ছে ওয়াইফাই রেডিয়েশন এর মধ্যে । এর থেকে বের হয়ে আসার ও কোন পথ নেই । প্রযুক্তি যত উন্নত হবে দিন দিন এর বিকিরন আমাদের ক্ষতির মুল কারন হয়ে দাঁড়াবে , যা খালি চোখে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয় । বিশেষজ্ঞদের মতে , মডেম , রাউটারগুলি থেকে বেরুনো বিকিরন আমাদের মারাত্মক ক্ষতি করছে , বিশেষ করে শিশুদের । এর বিকিরন বায়ুকে করে তুলছে দুষিত । ওয়াইফাই এর ক্ষতিকর দিকগুলো আসুন জেনে নেই।
গর্ভবতী মা ও শিশুর উপর ওয়াইফাই এর প্রভাবঃ ওয়াইফাই এর বিকিরনে গর্ভবতী মা ও শিশু উভয় এ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে , বিশেষ করে গর্ভে থাকা শিশু । তাই গর্ভবতী মা কে ওয়াইফাই এর ক্ষতিকর বিকিরন এর বাইরে রাখা খুব ই জরুরী । একইসঙ্গে বাড়িতে যদি ছোট শিশু থাকে তাহলে অবশ্যই ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিকে এড়িয়ে চলা উচিত।
নিদ্রাহীনতা : সারাদিন ওয়াইফাই বিকিরনের মধ্যে থাকাতে নিদ্রাহীনতা হতে পারে । তাই ঘুমানোর সময় অন্তত ওয়াইফাই বন্ধ করে রাখা উত্তম ।
এনার্জি : গবেষণায় দেখা গেছে যে , ওয়াইফাই বিকিরনের মধ্যে থাকাতে মহিলাদের এনার্জি লেবেল অনেক কমে যায় । যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন এ ব্যাঘাত ঘটায় ।
মাথা ব্যথা : মাত্রাতিরিক্ত বিকিরণের মধ্যে থাকলে মাথা ব্যথা হওয়া খুব স্বাভাবিক। প্রথমে বোঝা না গেলেও পরের দিকে এর মাত্রা অনেক বেড়ে যায়।
হৃদকম্পন বৃদ্ধি : ওয়াই-ফাই চালু করলেই এর ক্ষতিকর বিকিরণের ফলে হৃদকম্পন বেড়ে যেতে পারে অনেকের। হার্টের দুর্বলতা থাকলে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে।
কোষের বৃদ্ধি: কোষের বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায় ওয়াই-ফাই বিকিরণ। তার সাথে সাথে একইসঙ্গে মোবাইলের বিকিরণও সমানভাবে ক্ষতি করে। তাই বিজ্ঞানীদের পরামর্শ অনুযায়ী , যতটা সম্ভব পারা যায় ততটা কমানো উচিত প্রযুক্তির ব্যবহার।
ওয়াইফাই বিকিরণ সমস্যা থেকে বাচার জন্য করনীয় :
কাজ শেষ আমাদের রাউটার কিংবা রাউটিং প্রসেস অফ করে রাখতে পারি এবং বিনা প্রয়োজনে অন না করলেও পারি।
এসব ডিভাইস থেকে যথা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
মোবাইল এর ওয়াইফাই কিংবা ব্লুটুথ অযথা অন করে করে রাখার অভ্যাস পরিহার করতে হবে ।
শিশু, গর্ভবতী মহিলাদের এসব ডিভাইস , প্রযুক্তি থেকে যথাসম্ভব দূরে রাখতে হবে।
আমাদের বন্ধু কিংবা অন্যকে এই বিষয়ে সচেতন করতে পারি।
সোর্স -রুপসাজ
Saturday, March 4, 2017
নিজেকে ভালো রাখতে হলে কি করতে হবে?? পড়ুন উপকারে আসবে।
পৃথিবীতে সবার চোখে ভলো হওয়ার উপায়: # ইচ্ছাশক্তি বাড়ান সবার ভালোবাসার মানুষ হয়ে উঠতে গেলে থাকতে হবে ইচ্ছাশক্তি। এই ইচ্ছাশক্তি আপনার জীবনযাত্রার মানে উৎকর্ষ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। ইতিবাচকতা একটা আবরণের মতো। আপনি মানুষের মনে বিশ্বাস স্থাপন করতে পাররেই মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে। # বাস্তববাদী হোন একেবারে সাধু ব্যক্তি হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো। আপনি ইতিবাচক ব্যক্তি হয়ে উঠবেন, তার মানে এই নয় যে আপনার কোনো নেতিবাচক আবেগ থাকতে পারে না কিংবা কখনোই নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার আপনি হবেন না। কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশাগ্রস্ত হবেন না কিংবা বিপথের দিকে ধাবিত হওয়ার দরকার নাই। # পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতা একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক হোন। আপনার চারপাশে খেয়াল রাখুন। কিভাবে আপনি আরো বেশি ইতিবাচক উপাদান আয়ত্ত করতে পারবেন তার জন্য দৈনন্দিন জীবনের কর্মকাণ্ডে মনোযোগী হোন। এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো বেশি ইতিবাচক করে তুলবে। # মার্জিত বক্তব্য ভাষায় মার্জিত ও ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। সহকর্মীদের সঙ্গে মিশতে হবে কাছাকাছি থেকে এবং বন্ধুত্বপূর্ণভাবে। শারীরিক উপস্থাপনা সব সময় পরিশীলিত থাকবে। আপনার আশপাশে আনন্দময় কিছু ঘটলে চেহারায় আনন্দ ও সুখী সুখী ভাব নিয়ে আসুন। হাসির কিছু ঘটলে মুখে হাসি নিয়ে আসুন। # বন্ধুত্বে সতর্কতা একটিমাত্র পথেই যদি আপনি সবার আস্থাভাজন হয়ে উঠতে চান সেক্ষেত্রে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ঘটনাই ঘটতে পারে। আপনি যদি বন্ধুমহলে বেশির ভাগ সময়ই রূঢ় আচরণ করেন তাহলে মনে রাখবেন, আপনাকে একই ধরনের আচরণের মুখোমুখি হতে হবে। আপনার হৃদয়ে ইতিবাচকতা যদি গভীরভাবে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুমহল হবে ইতিবাচক, কর্মোদ্যোগী, হাসিখুশি ও প্রাঞ্জল। # আলসেমি বাদ দিন সকল ধরনের অলসতাকে নিজের থেকে দূরে রাখুন। অন্যদের সঙ্গে থাকুন আর একা থাকুন, ইতিবাচক কাজের মধ্যে থাকবেন। জোক বলুন, মজার ঘটনা শেয়ার করুন, খেলাধুলায় অংশ নিন। কাজ শেষে হাঁটতে বের হোন। একটা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন। # সব কিছু সহজভাবে গ্রহণ প্রাত্যহিক জীবন থেকে আপনি আঘাত পেতে পারেন। এটা মেনে নিতে আপনাকে তৈরি থাকতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনাকে প্রতিদিন ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালাতে অথবা পার্ক করতে হতে পারে। যখন আপনি এ ব্যাপারগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন তখন আর কোনো সমস্যাই হবে না। # ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করুন একটা সময় নির্ধারণ করে দিনের সব কাজকে মনে করুন, এখান থেকে ভালো কাজগুলো আলাদা করে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করুন। এগুলো খুব সামান্য ব্যাপারও হতে পারে। যেমন কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আপনার বাসে আরোহণ করা, আপনার মায়ের হাতের তৈরি সুস্বাদু নাশতা, সময়মতো বিল পরিশোধ করা ইত্যাদি। এতে চোখের সামনে নিজের করা ছোট একটি ইতিবাচক কাজ দেখতে পারবেন। যখন আপনি আপনার লেখা ডায়েরিটি পড়বেন তখন নিজেই নিজেকে দৃঢ়ভাবে সুখী ঘোষণা করবেন। # ধন্যবাদ দেয়ার অভ্যাস গড়ুন আশপাশের সবাইকে ধন্যবাদ দিন। বাবা-মা থেকে শুরু করে বন্ধু মহলের সবাইকে ধন্যবাদ দিন। আপনি যে পরিশ্রম করছেন সে জন্য নিজেকেও ধন্যবাদ দিন। বারবার 'থ্যাংক ইউ' বললে আপনি হয়ে উঠবেন বিনয়ী। বিনয়ী হলে আর নিরাশ হতে হবেনা। # যোগ ব্যায়াম চর্চা যোগ ব্যায়ামের শিক্ষক ও পুষ্টিবিদ অভিলাষ কেইল বলেন, 'প্রতিদিন প্রার্থনা করুন, এটা আপনার ভেতরকে প্রকাশ করতে সহায়তা করবে, আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে শেখাবে।' এটা যে শুধু নীরবেই সুখ বিচ্ছুরিত করবে তা নয়, খুব অল্প সময়েই আপনার ইন্দ্রিয়কে সচেতন করে তুলবে।
সোর্স/credit : Bissoy Answers
সকালের নাস্তা খাওয়ার উপকারীতা ও অপকারীতা, যা সকলের জানা উচিত।
সকালের নাস্তাকে অনেকেই দিনের সবচেয়ে জরুরি খাবার বলে মনে করেন। কিন্তু এরপরও কিছু মানুষ আছেন যারা নানা অজুহাতে সকালের নাশতায় ফাঁকি দেন। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাশতা বেশি পরিমাণে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং সারাদিন ধরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও তা সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়।
কিন্তু সব ভারী খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই আমাদের জানতে হবে সকালের নাস্তায় কোন খাবারগুলো খাওয়া একেবারেই উচিত নয় এবং কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত।
ডিম: ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। এবং এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম। সকালের নাস্তায় অবশ্যই প্রত্যেকের ডিম খাওয়া উচিত। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ হিসেবে সকালে ২ টি ডিম খেলেই যথেষ্ট। তবে যারা একটু বেশি স্বাস্থ্যবান ও যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের ডিমের কুসুম এড়িয়ে যাওয়া উচিত। সকালে ডিম সেদ্ধ বা ডিমের অমলেট দিয়ে নাস্তা সারতে পারেন।
আটার রুটি: সকালের নাস্তার জন্য বেশ ভালো একটি খাবার হচ্ছে আটার রুটি। বিশেষ করে যারা ভারী খাবার পছন্দ করেন। সকালে পাউরুটি বা ভাত খাবার চাইতে আটার রুটি সবজি ভাজি বা ডিম অথবা ঝোলের তরকারি কিংবা কলা দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এছাড়া রুটি বেশ ভালো শক্তি সরবরাহ করে। এ শক্তি আমাদের পুরো দিনই রাখবে সতেজ। তবে অবশ্যই তেলে ভাজা পরোটা থেকে দূরে থাকবেন।
ফলমূল: সকালের নাস্তার জন্য সব চাইতে ভালো খাবার হচ্ছে ফলমূল। কলা, আপেল, কমলা, স্ট্রবেরি, আঙুর ইত্যাদি ধরণের ফলমূল অথবা মৌসুমি ফলমূল দিয়ে সকালের নাস্তা করা সব চাইতে ভালো। ২ টি কলা, ১ টি আপেল, ১ টি কমলা, ২/৩ টি স্ট্রবেরি এভাবে শুধুমাত্র ফল দিয়ে নাস্তা করা সকালের জন্য ভালো। চাইলে ফলমূল দিয়ে সালাদের মত তৈরি করেও খেতে পারেন।
অন্যদিকে যে সব খাবার খাওয়া উচিত নয় সেগুলো হলো-
ভাত: সকালে একটু ভারি খাবার খাওয়া ভালো। কিন্তু ভারি খাবার মানে ভাত বা ভাত জাতীয় ভারি খাবার নয় মোটেই। কেননা ভাত দেহে কার্বোহাইড্রেটের পরিমান অনেক বেড়ে যায়। ফলে সারাদিন দেহে ক্লান্তি ভর করে। মস্তিষ্ক দুর্বল অনুভব করে। সুতরাং সকালের নাস্তায় ভাত খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।
তৈলাক্ত খাবার: সকালের নাস্তায় পরোটা কিংবা তেলে ভাজা সিঙ্গারা সমুচা খুবই অস্বাস্থ্যকর খাবার। এতে দিনের শুরুতেই দেহে ফ্যাট জমা শুরু করে এবং শরীর ভারী হয়ে আসে। সকালের তরতাজা ভাব একেবারেই দূর হয়ে যায়। এমনকি তেলে ভাজা ডিমও সকালের নাস্তার জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং সকালের নাস্তায় তেলে ভাজা খাবার অভ্যাস ত্যাগ করুন।
বিস্কুট: অনেকেই আছেন সকালের নাস্তায় চায়ের সাথে ২/৩ টি বিস্কুট খেয়ে থাকেন। এই কাজটি মোটেও করবেন না। সারারাত না খাবার ফলে সকালে আমাদের পরিপাকযন্ত্র দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় একটু দুর্বল থাকে। তখন শক্ত বিস্কুট জাতীয় খাবার আমাদের পরিপাকযন্ত্রের হজম করতে সমস্যা হয়। তাই বিস্কুট ধরনের শক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়। এই সময় পানি জাতীয় ফলমূল এবং খাবার খাওয়া পরিপাকযন্ত্র জন্য ভালো।
পাউরুটি: পাউরুটিতে রয়েছে লবণ, রিফাইন্ড চিনি, প্রিজারভেটিভস যা ওজন বাড়ায়। সকালের নাস্তায় ১/২ টুকরো পাউরুটি খেলে খুব দ্রুত তা হজম হয়ে যায় এবং এটি খুব দ্রুত ক্ষুধার উদ্রেক করে।
কেক: সময় বাঁচাতে অনেকেই বাজার থেকে কিনে আনা কেক খেয়ে সকালের নাস্তা করে নেন। কিন্তু এই কাজটি কখনোই ঠিক না। কেক একটি অস্বাস্থ্যকর খাবার যাতে প্রচুর পরিমানে চিনি এবং তেল ব্যবহার করা হয়। মাত্র ১ স্লাইস কেকে থাকে ৩০০-৪০০ ক্যালোরি। দিনের শুরুতে এতো পরিমান ক্যালোরি আপনার দেহে খুব দ্রুত মুটিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।
সকালের নাস্তা বাদ দিলে যে রোগগুলো হয়-
ডায়াবেটিসঃ আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এ প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সকালের নাস্তা বাদ দিলে মহিলাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই গবেষণায় দেখা যায়, যেসব মহিলারা প্রতিদিন ভালোভাবে নাস্তা করেন তাদের চাইতে নাস্তায় অবহেলা করা মহিলাদের টাইপ টু ডায়াবেটিস হবার ঝুঁকি বেশি।
হৃদরোগঃ Circulation নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হওয়া গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত সকালে নাস্তা করলে ৪৫ থেকে ৮২ বছর বয়সী মানুষের হৃদরোগ কম হয়। এতে আরও দেখা যায়, নাস্তায় অনিয়ম হলে উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তে উচ্চমাত্রায় চিনির পরিমাণ দেখা দেয়।
স্মৃতিশক্তিঃ আমেরিকান ডায়েট অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত ৪৭ টি গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সকালে নাস্তা করলে উন্নতি হয় স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং এতে পরীক্ষায় ভালো ফল করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে বাচ্চাদের মস্তিষ্কের সঠিক উন্নতি ও বৃদ্ধির জন্য স্বাস্থ্যকর নাস্তা খাওয়া খুবই জরুরি। এছাড়া তাদের শারীরিক বৃদ্ধিতেও সকালের নাস্তা অপরিহার্য। অন্যদিকে সকালে পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে দেখা দেয় ঠিক এর বিপরীত অবস্থা।
ওজন বেড়ে যাওয়াঃ জানা গেছে,যারা সকালের নাস্তা খান তিন মাসের মাথায় তাদের ওজন গড়ে ১৭.৮ পাউন্ড কমে যায়। এবং যাদের মাঝে অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে তারা সকালের নাস্তা বাদ দেন খুব বেশি। সকালে নাস্তা না খাবার ফলে দুপুরের দিকে তাদের খিদে লাগে এবং তারা অতিরিক্ত পরিমাণে খেয়ে ফেলেন ফলে তাদের ওজন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যায়। অর্থাৎ নাস্তা বাদ দিলে ওজন বাড়ে বেশি। যারা সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে ডায়েট কন্ট্রোল করেন, তাদের ওজন কমার প্রবণতা কম।
সোর্স : www.orthoshuchak.com
একটিমাত্র তেল দেবে চুলের সব সমস্যার সমাধান
চুলের গোড়া মজবুত করে, চুলকে সিল্কি ঝলমলে করে তুলতে মেহেদি অতুলনীয়। প্রাচীনকাল থেকে চুলের যত্নে মেহেদি ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক উপায়ে চুল রং করতেও মেহেদি বেশ কার্যকর। এই মেহেদি পাতা দিয়ে এক ধরণের তেল তৈরি করা হয়, যা চুল পড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। নারকেল তেল এবং মেহেদি পাতার সমন্বয়ে তৈরি এই তেলটি চুলের অনেকগুলো সমস্যা সমাধান করে দেবে নিমিষেই।
যা যা লাগবে:
৫০০ মিলিটার নারকেল তেল
কিছু তাজা মেহেদি পাতা
যেভাবে তৈরি করবেন:
১। মেহেদি পাতা কুচি করে পেস্ট তৈরি করে নিন। পেস্ট তৈরির সময় খুব বেশি পানি মেশাবেন না। অল্প পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
২। এবার মেহেদি পেস্ট দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে নিন।
৩। এখন একটি প্যানে নারকেল তেল গরম করতে দিন।
৪। তেল গরম হয়ে আসলে মেহেদির বলগুলো নারকেল তেলে দিয়ে দিন।
৫। তেল বাদামী রং না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন।
৬। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।
৭।মেহেদির বলগুলো তেলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন।
৮। এই তেলটি এয়ার টাইট কনটেইনারে সংরক্ষণ করুন। এটি দুই তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
এই তেলটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। প্রতিদিন না পারলে সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই তেলটি ব্যবহার করুন। কমপক্ষে ২ ঘন্টা তেলটি মাথায় রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
মেহেদি তেলের উপকারীতা:
মেহেদি চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে
চুল সিল্কি ঝলমলে করে তুলে
মাথা ঠান্ডা রাখে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে
চুল পাকা প্রতিরোধ করে
খুশকি দূর করে চুলকে করে স্বাস্থ্যোজ্বল সুন্দর।
সোর্স :ভোরের কাগজ
Subscribe to:
Comments (Atom)









